এল মানুষ ধরার দল। মানুষ ধরার দল কোথায় এল ? তাদের মানুষ ধরার দল বলার কারন কি আফ্রিকা কবিতা । দশম শ্রেণী বাংলা। - Online story

Tuesday, 17 March 2026

এল মানুষ ধরার দল। মানুষ ধরার দল কোথায় এল ? তাদের মানুষ ধরার দল বলার কারন কি আফ্রিকা কবিতা । দশম শ্রেণী বাংলা।

 



প্রশ্ন : 'এল মানুষ-ধরার দল- 'মানুষ-ধরার দল' কোথায় এল? তাদের মানুষ-ধরার দল' বলার কারণ কী?

উত্তর> কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত “আফ্রিকা' কবিতায় মানুষ-ধরার দল' বলতে নির্দয় ও হিংস্র সাম্রাজ্যবাদী শাসকের কথা বলেছেন। ইউরোপীয় শাসককুল আফ্রিকায় এসেছিল মানুষ ধরার জন্য।

> শেতাঙ্গা ঔপনিবেশিক শক্তির পানা এবং নির্যাতন আফ্রিকার বনজঙ্গল বারংবার রস্তার হয়েছিল। তাদের নির্বিচার খুন ও হত্যার নৃশংসতায়, তারা হয়ে উঠেছিল বন্য নেকড়ের চেয়েও হিংস্র এবং কদর্য। অবক্ষয়ী এ তথাকথিত সভ্যরা ছিল দাস-ব্যবসায়ী। কবির মতে নিরীহ মানুষকে পণ্য হিসেবে কেনাবেচা করার মিথ্যা গর্ব কিংবা অহমিকা আসলে এদের অসভ্য অমানবিকতার প্রকাশ। ইউরোপীয় শাসককুলের বর্বর লোভের এই ঘৃণ্য-করুণ ইতিহাসটির কখনও ‘এল ওরা লোহার হাতকড়ি নিয়ে' কিংবা 'এল মানুষ-ধরার দল' শব্দবন্ধের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।


প্রশ্ন:  ‘সভ্যের বর্বর লোভ/নগ্ন করল আপন নির্লজ্জ অমানুষতা।—তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও ।

অথবা, ‘গর্বে যারা অন্ধ তোমার সূর্যহারা অরণ্যের চেয়ে। —উদ্ধৃতাংশটির অন্তর্নিহিত অর্থ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর>  মানবতার পূজারি রবীন্দ্রনাথ। আফ্রিকার জনজাতি, তার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ওপর নেমে আসা ঔপনিবেশিক শক্তির তথা সাম্রাজ্যবাদের হিংস্র অত্যাচারের প্রতিবাদে তিনি মুখর হয়েছেন। ইউরোপের প্রায় প্রতিটি সভ্য দেশই আফ্রিকায় উপনিবেশ স্থাপন করে। কিন্তু ক্ষমতালোভী সেইসব দেশ আফ্রিকার সম্পদ লুণ্ঠন করে সেখানকার মানুষকে অত্যাচারে, অপমানে ও লাঞ্ছনায় বিধ্বস্ত করে তোলে। নিরপরাধ আফ্রিকাবাসীর ঘামে-রক্তে আর কান্নায় ভিজে ওঠে সেখানকার মাটি। তথাকথিত সভ্যের এই বর্বর লোভ কবির কাছে তাদের নির্লজ্জ অমানুষতারূপে প্রতিভাত হয়েছে।