প্রফেসর শঙ্কুর তৈরি করা মিরাকিউরলের বড়ি কিভাবে জেরেমি সাণ্ডার্সকে নতুন জীবন দান করেছিল লেখ নবম শ্রেণী - Online story

Friday, 28 November 2025

প্রফেসর শঙ্কুর তৈরি করা মিরাকিউরলের বড়ি কিভাবে জেরেমি সাণ্ডার্সকে নতুন জীবন দান করেছিল লেখ নবম শ্রেণী

 



প্রশ্ন: প্রোফেসর শঙ্কুর তৈরি করা মিরাকিউরলের বড়ি কীভাবে জেরেমি সন্ডার্সকে নতুন জীবনদান করেছিল লেখো।

উত্তর :- কলকাতায় থাকাকালীন বিজ্ঞান-বিষয়ক সর্বশ্রেষ্ঠ পত্রিকা ‘নেচার'-এর লেখক জেরেমি সম্ভার্সের সঙ্গে প্রোফেসর শঙ্কুর চিঠি বিনিময়ের মাধ্যমে আলাপ হয়। ক্রমে সেই আলাপ নিয়মিত এই পত্রবিনিময়ের ফলে গভীর বন্ধুত্বে পরিণত হয়। জেরেমি সম্ভার্সের জন্ম ভারতবর্ষের পুনা শহরে। তাঁর ঠাকুরদা বত্রিশ বছর ইন্ডিয়ান আর্মিতে ছিলেন সম্ভার্সের যখন সাত বছর বয়স তখন তিনি বাবা-মার সঙ্গে ইংল্যান্ডে চলে যান। কিন্তু ভারতবর্ষ বা ভারতবাসীর প্রতি তাঁর অন্তরের স্বাভাবিক টান থেকেই যায়। প্রায় আট মাস নিয়মিত পত্রবিনিময়ের পরে হঠাৎ শঙ্কুর চিঠির প্রত্যুত্তর আসা বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় এক মাস পেরিয়ে গেলেও চিঠি আসছে না-দেখে শঙ্কু যখন টেলিগ্রাম করবার কথা  ভাবছেন ঠিক সেই মুহূর্তে সম্ভার্সের স্ত্রী ডরোথির ঠিঠি এসে পৌঁছায় শঙ্কুর হাতে। চিঠিতে শঙ্কু জেরেমির যকৃতে ক্যানসার ধরা পড়ার কথা জানতে পারেন। চিঠিটি পড়বার সঙ্গে সঙ্গেই দশটা মিরাকিউরলের বড়ি শঙ্কু এয়ারমেলে পাঠিয়ে দেন ডরোথির নামে।
দেড় মাস কেটে যাওয়ার পরও কোনো টেলিগ্রাম না-আসায়, শঙ্কু বিশ্বাসের পারদ তলানিতে এসে ঠেকে। সবে যখন তিনি মিরাকিউরলের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ করতে শুরু করেছেন, ঠিক তখন তাঁর বাড়িতে এসে হাজির হন স্বয়ং জেরেমি সভার্স। এভাবেই মিরাকিউরলের বড়ি জেরেমি সভার্সকে একেবারে নতুন জীবনদান
করেছিল।