গিরিশ মহাপাত্রের চেহারার বর্ণনা এবং বেশভুসার বর্ণনা দা। পথের দাবী গল্প। দশম শ্রেণী
![]() |
প্রশ্ন: 'বাবুটির স্বাস্থ্য গেছে, কিন্তু শখ ষোলোআনাই বজায় আছে তা স্বীকার করতে হবে।- 'বাবুটি' কে? তার বেশভূসার পরিচয় দাও।
অথবা, 'বাবুটির স্বাস্থ্য গেছে, কিন্তু শখ ষোলোআনাই বজায় আছে তা স্বীকারক রতে হবে।–কার সম্পর্কে এরূপ মন্তব্য করা হয়েছে? তার শখের পরিচয দাও।
উত্তর > শরৎচন্দ্রের ‘পথের দাবী'-র আলোচ্য অংশে নিমাইবাবুর কথায় বাবুটি হল ছদ্মবেশী গিরীশ মহাপাত্র।
| গিরীশ মহাপাত্রের মাথার বাহারি ছাঁট, চুলে সুগন্ধি তেল, পরনে রামধনু রঙের জাপানি সিল্কের পাঞ্জাবি ও বিলাতি মখমল পাড়ের সূক্ষ্ম কালো শাড়ি, পকেটে বাঘ আঁকা রুমাল, পায়ে হাঁটু পর্যন্ত লাল ফিতে দিয়ে বাঁধা সবুজ মোজা ও বার্নিশ করা পাম্প শু হাতে হরিণের শিঙের হাতল দেওয়া বেতের ছড়ি তার ‘শখ’ বজায়ের পরিচয় দেয়।
প্রশ্ন: গিরীশ মহাপাত্রের চুলের পারিপাট্য কীরূপ ছিল, তা সংক্ষেপে লেখো।
উত্তর > শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘পথের দাবী’ উপন্যাসের ছদ্মবেশী গিরীশ মহাপাত্রের চেহারার বর্ণনার সঙ্গে লেখক তার চুলের পারিপাট্যের সুন্দর বর্ণনাও দিয়েছেন। তার মাথার সামনের দিকের চুল বড়ো থাকলেও পিছনের দিকে তা প্রায় ছিল না বললেই হয়। তেল চুপচুপে চুলের মাঝখান দিয়ে সিঁথি কাটা। চুল থেকে নেবুর তেলের অসহনীয় উগ্র গন্ধ থানাসুদ্ধ লোকের এমন মাথা ধরিয়ে দিয়েছিল যে, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেও তারা তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
প্রশ্ন : গিরীশ মহাপাত্রের চেহারার বর্ণনা দাও।
উত্তর > শরৎচন্দ্রের 'পথের দাবী'-র মূল চরিত্র বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিক গিরীশ মহাপাত্রের গিরীশ মহাপাত্রের ছদ্মবেশে বর্মা আসেন। পোলিটিক্যাল সাসপেক্ট হিসেবে তাকে আটক করলেও বেশভূষা ও চেহারার বর্ণনা: চেহারার বিভ্রান্তিতে পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। বছর বত্রিশের সব্যসাচীর গায়ের ফরসা রং রোদে পুড়ে তামাটে হয়েছে। রোগা চেহারার মানুষটি সামান পরিশ্রমেই হাঁপাতে ও কাশতে থাকে। দেখে আশঙ্কা হয় সংসারের মেয়াদ বুঝি তার ফুরিয়ে এসেছে। তাকে আলাদাভাবে চোখে পড়ে তার রোগা মুখের দুটি চোখের অদ্ভুত দৃষ্টির জন্য।
