বড়ো চমৎকার আজকে এই সন্ধ্যার চেহারা। সন্ধ্যা চেহারা বর্ণনা দাও। বহুরূপী গল্প - Online story

Wednesday, 6 May 2026

বড়ো চমৎকার আজকে এই সন্ধ্যার চেহারা। সন্ধ্যা চেহারা বর্ণনা দাও। বহুরূপী গল্প

 



প্রশ্ন:: ‘বড়ো চমৎকার আজকে এই সন্ধ্যার চেহারা।–সন্ধ্যার চেহারার বর্ণনা দাও

উত্তর> সুবোধ ঘোষের 'বহুরূপী' গল্পে হরিদা কথক ও তাঁর বন্ধুদের এক অত্যাশ্চর্য খেলা দেখার আমন্ত্রণ জানান পাড়ার ধনী ব্যক্তি জগদীশবাবুর বাড়িতে। সেদিনের সন্ধ্যায় প্রকৃতিও যেন হরিদাকে সঙ্গ দিয়েছিল। স্নিগ্ধ ও উজ্জ্বল চাঁদের আলো দীর্ঘকাল পরে শহরের পরিবেশকে সুন্দর করে তুলেছিল। ফুরফুরে বাতাসে জগদীশবাবুর বাড়ির বাগানের গাছের পাতা ঝিরিঝিরি করে যেন কিছু বলতে চাইছিল। এমন মায়াময় পরিবেশেই আবির্ভাব হয়েছিল বিরাগী-রূপী হরিদার।



প্রশ্ন । আপনি কি ভগবানের চেয়েও বড়ো?—কাকে এ কথা বলা হয়েছে? তাঁকে এ কথা বলা হয়েছে কেন

উত্তর> সুবোধ ঘোষের 'বহুরূপী' গল্পে বিরাগী-রূপী হরিদা জগদীশবাবুকে থাগুলি বলেছিলেন।

|| এক সন্ধ্যায় হরিদা বিরাগীর ছদ্মবেশে জগদীশবাবুর বাড়িতে হাজিরহন।জগদীশবাবু তখন বারান্দায় চেয়ারের ওপর বসেছিলেন। বিরাগীকে দেখতে পেয়ে তিনি উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে স্বাগত জানান।

তখন বিরাগী আলোচ্য উক্তিটি করে জগদীশবাবুকে জানান, জগদীশবাবু নিশ্চয়ই সম্পত্তির অহংকারে নিজেকে ভগবানের চেয়েও বড়ো মনে করেন। তা না-হলে তিনি অবশ্যই বিরাগীকে অভ্যর্থনা জানাতে বারান্দা থেকে নেমে আসতেন।


প্রশ্ন:  "আপনার দীপ্ত ভ্রমণের জন্য এই টাকা আমি দিলাম"।- কে কাকে এ কথা বলেছিলেন ? এ কথা শুনে উদ্দিষ্ট ব্যক্তি কী বলেছিলেন ?

উত্তর: সুবোধ ঘোষের 'বহুরূপী' গল্পে বিরাগী-রূপী হরিদার প্রতি জগদীশ বাবু এ উক্তি করেছিলেন।

| বিরাগীকে তুষ্ট করতে ধনী জগদীশবাবু তীর্থ ভ্রমণের অজুহাতে তাকে একশো এক টাকা গ্রহণ করার অনুরোধ করেন। এর প্রত্যুত্তরে বিরাগী তথা হরিদা বলেন, 'আমার বুকের ভিতরেই যে সব তীর্থ ভ্রমণ করে দেখবার তো কোনো দরকার হয় না।' তাঁর মুখে তখন উদাত্ত-উজ্জ্বল হাসি। এরপর জগদীশবাবুর বারংবার অনুরোধে তিনি আরও বলেন যে, তিনি ধুলোর মতোই সোনা মাড়িয়েও চলে যেতে পারেন। এ কথা বলে হরিদা সিঁড়ি থেকে নেমে যান আর টাকা ভর্তি থলিটা পড়ে থাকে।