কি অদ্ভুত কথা বলেন হরিদা। বক্তা কে ? বক্তার কাছে হরিদার কথা অদ্ভুত বলে মনে হয়েছে কেন ? বহুরূপী গল্প । দশম শ্রেণী
![]() |
প্রশ্ন : : ‘কী অদ্ভুত কথা বললেন হরিদা।- বক্তা কে? বক্তার কাছে হরিদার কথা অদ্ভুত বলে মনে হয়েছে কেন ?
উত্তর> সুবোধ ঘোষের 'বহুরূপী' গল্প থেকে উদ্ধৃত অংশটির বক্তা লেখক।
|| বিরাগী বেশধারী হরিদাকে দেখে কৃতার্থ হয়ে জগদীশবাবু তাঁকে একশো এক টাকা প্রণামি দেন। কিন্তু হরিদা খাঁটি সন্ন্যাসীর মতোই তা হেলায় ফেলে দিয়ে চলে আসেন। দরিদ্র হরিদাকে এমন কান্ড করতে দেখে ভবতোষ অনাদিরা বক্তার কাছে হরিদার অবাক হয়ে এর কারণ জানতে চায়। যে মানুষের বাড়িতে
অধিকাংশ দিন ভাতের হাঁড়িতে শুধু জল ফোটে, তিনিই যখন বলেন, সন্ন্যাসী সেজে টাকা নিলে ঢং নষ্ট হয়ে যেত; তাই ইচ্ছেই হয়নি— তখন উপস্থিত সকলের কাছে তা অদ্ভুত বলে মনে হয়।
প্রশ্ন : 'কী অদ্ভুত কথা বললেন হরিদা—কোন্ কথা হরিদা বলেছিলেন? কথাটিকে অদ্ভুত বলার কারণ কী?
উত্তর> সুবোধ ঘোষ রচিত ‘বহুরূপী' গল্পে জগদীশবাবু বিরাগী বেশধারী হরিদাকে একশো এক টাকা প্রণামি দিতে এলে তিনি হেলায় ফেলে চলে আসেন। অনাদি, ভবতোষ এই কাণ্ড করার কারণ জিজ্ঞাসা করলে হরিদা বলেন— শত হোক, একজন বিরাগী সন্ন্যাসী হয়ে টাকা ফাঁকা কি করে স্পর্শ করি বল তাতে যে আমার ঢং নষ্ট হয়ে যায়।
প্রশ্ন: 'অদৃষ্ট কখনও হরিদার এই ভুল ক্ষমা করবে না। 'অদৃষ্ট' বলতে কী বোঝ? হরিদার সম্পর্কে এমন উক্তি কেন করা হয়েছে?
উত্তর> পরো উদ্ধৃত অংশটি সুবোধ ঘোষের 'বহুরূপী' গল্প থেকে নেওয়া।
এখানে 'অদৃষ্ট' বলতে ভাগ্য, কপাল বা বিধির কথা বলা হয়েছে।
|| বহুরূপী হরিদার বিরাগী-রূপ দেখে মুগ্ধ ও কৃতার্থ জগদীশবাবু তাঁকে একশো এক টাকা প্রণামি দেন। কিন্তু খাঁটি সন্ন্যাসীর মতোই হরিদা তা অবলীলায় ফেলে দিয়ে চলে আসেন। কারণ টাকা নিলে তাঁর ঢং নষ্ট হয়ে যেত। অথচ হরিদা নিতান্ত দরিদ্র মানুষ। বহুরূপীর সাজ দেখিয়ে যৎসামান্য রোজগারে তাঁর দিন চলে। বেশিরভাগ দিন চাল না-থাকায় তাঁর হাঁড়িতে শুধু জলই কুটে যায়। এমন মানুষের পক্ষে অতগুলো টাকা পেয়েও না-নেওয়ার বিলাসিতা; ভবিষ্যতে তাঁর দুর্ভোগ বাড়াবে। এ কথা বোঝাতেই এরূপ উক্তি করা হয়েছে।
