প্রশ্ন: 'এভাবে মেডেল জেতায় কোনো আনন্দ নেই'—বক্তা কে? তার এমন কথা বলার কারণ কী ছিল ? অথবা, 'তোমার লাস্ট ফরটি মিটারস আমি ভুলব না"-কার উক্তি? প্রসঙ্গ নির্দেশ করে উদ্ধৃতাংশটির তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও। - Online story

Monday, 19 January 2026

প্রশ্ন: 'এভাবে মেডেল জেতায় কোনো আনন্দ নেই'—বক্তা কে? তার এমন কথা বলার কারণ কী ছিল ? অথবা, 'তোমার লাস্ট ফরটি মিটারস আমি ভুলব না"-কার উক্তি? প্রসঙ্গ নির্দেশ করে উদ্ধৃতাংশটির তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।

 



প্রশ্ন:  'এভাবে মেডেল জেতায় কোনো আনন্দ নেই'—বক্তা কে? তার এমন কথা বলার কারণ কী ছিল ?

অথবা, 'তোমার লাস্ট ফরটি মিটারস আমি ভুলব না"-কার উক্তি? প্রসঙ্গ নির্দেশ করে উদ্ধৃতাংশটির তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।


উত্তর: / বক্তার পরিচয়: প্রখ্যাত ক্রীড়াসাংবাদিক ও ঔপন্যাসিক মতি নন্দীর ‘কোনি’ উপন্যাসে উদ্ধৃত উক্তিটির বক্তা হলেন কোনির অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিয়া মিত্রের বাবা। নিজের মেয়ে মেডেল জিতলেও কোনির বিরুদ্ধে যেভাবে চক্রান্ত হয়েছিল তা মেনে নিতে পারেনি।

॥ জুপিটারের একসময়ের চিফ ট্রেনার ক্ষিতীশ ও তারই হাতে গড়া অন্যতম সাঁতারু কোনি ছিল জুপিটারের একটি গোষ্ঠীর চক্রান্তের শিকার। এই গোষ্ঠীর চক্রান্তেই স্টেট চ্যাম্পিয়নশিপে দু-বার

ডিসকোয়ালিফাই এবং একবার প্রথম হয়েও দ্বিতীয় স্থান গ্রহণ করতে হয় কোনিকে। এমন অমানবিক ঘটনা হিয়ার বাবাকে বেদনা দেয়, সেই প্রসঙ্গেই আলোচ্য উত্তির অবতারণা।

কারণ/তাৎপর্য:  ব্রেস্ট স্ট্রোকের একশো মিটারে কোনির প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল হিয়া মিত্র। সেখানে টাইমকিপার বদু চাটুজ্জে কোনিকে মিথ্যা অজুহাতে ফ্ল্যাগ নেড়ে ডিসকোয়ালিফাই করে। এরপর ফ্রি-স্টাইলে কোনি সাঁতার শেষ করে ফিনিশিং বোর্ড ছুঁয়ে মুখ ঘুরিয়ে দেখে অমিয়া এসে ফিনিশিং বোর্ড স্কুল অথচ নাম ঘোষণার সময় প্রথম হিসেবে অমিয়ার নাম ঘোষিত হয়। এক্ষেত্রে ক্ষিতীশ প্রতিবাদ করলেও তা গ্রাহ্য হয়নি। দুশো মিটার ব্যক্তিগত মেডলি ইভেন্টে কোনিকে বাটারফ্লাইতে, যজ্ঞেশ্বর ভট্টচাজ আগে থেকেই ফ্ল্যাগ তুলে প্রায় ডিসকোয়ালিফাই করে রেখেছিল। সেদিন সাঁতারের পুলে এই নির্লজ্জতাগুলি সকলের মতো হিয়ার বাবাকেও ছুঁয়ে গিয়েছিল। আর সেজন্যই মেয়ে মেডেল পেলেও সেই জয় তিনি মেনে নিতে না-পেরে প্রবঞ্চিত কোনির পিঠে চাপড় দিয়ে বলেছেন- 'দুঃখ কোরো না। জোরে সাঁতার কাটার দরকারটা আজ তুমি অনুভব করতে পেরেছ, তুমি লাকি। তোমার লাস্ট ফরটি মিটারস আমি ভুলব না।