কিন্তু এই জানোয়ারটাকে ওয়াচ করার দরকার নেই বড়বাবু। জানোয়ারটা বলতে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? তাকে ওয়াচ করার দরকার নেই কেন ? পথের দাবী গল্প - Online story

Thursday, 6 August 2026

কিন্তু এই জানোয়ারটাকে ওয়াচ করার দরকার নেই বড়বাবু। জানোয়ারটা বলতে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? তাকে ওয়াচ করার দরকার নেই কেন ? পথের দাবী গল্প

 


প্রশ্ন > 'কিন্তু এই জানোয়ারটাকে ওয়াচ করবার দরকার নেই বড়োবাবু।' -'জানোয়ারটা' বলতে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? তাকে ওয়াচ করার দরকার নেই কেন ?

উত্তর >  শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী' রচনাংশ থেকে উদ্ধৃত উক্তিটিতে ‘জানোয়ারটা' বলতে পুলিশস্টেশনে আটক গিরীশ মহাপাত্রকে বলা হয়েছে। বক্তা পুলিশের কর্মচারী জগদীশবাবু।

॥ বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিক সন্দেহে পুলিশ গিরীশ মহাপাত্রকে আটক করে। কিন্তু তার রোদে পোড়া তামাটে রং, হাঁফ ধরা কাশির দমক ও অকাল বার্ধক্যের ভগ্নস্বাস্থ্য দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। বিশেষত তার বেশভূষার বাহার আর পরিপাট্য দেখে পুলিশ নিশ্চিত হয় এই ব্যক্তিটি সব্যসাচী নয়। কারণ বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিপ্রাপ্ত চিকিৎসকের সঙ্গে সন্দেহভাজনের কারখানার মিস্ত্রি গিরীশের কোনো মিল থাকাই সম্ভব নয়। খানাতল্লাশির সময় তার ট্যাক ও পকেট থেকে বিভিন্ন মামুলি সামগ্রীর সঙ্গে একটি গাঁজার কলকেও পাওয়া যায়। গিরীশ গাঁজা খাওয়ার কথা বারবার অস্বীকার করলেও, গাঁজা খাওয়ার সমস্ত লক্ষণই বিদ্যমান দেখে পুলিশ নিঃসংশয় হয়। নিমাইবাবু মহাপাত্রকে ছেড়ে দিলেও, এ শহরে নজর রাখার কথা বলেন। কারণ বর্মায় সব্যসাচী এসেছে। এ খবর নির্ভুল। এ কথায় জগদীশবাবু বলেন, তবে গিরীশ মহাপাত্রকে রাবার কোনো প্রয়োজন নেই।